দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অজ্ঞান পার্টির মূলহোতা মো. তাজুল ইসলামকে (৪৮) আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৫টি মোবাইল ফোনসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
এপিবিএন সূত্র জানায়, গত ১৬ মে ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন (১৮) তার খালাতো ভাইকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে যান। বিদায় শেষে ডিপার্চার এলাকায় অবস্থানকালে তাজুল ইসলামের দেওয়া কফি পান করার পর তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে এপিবিএনের সদস্যরা তাজুল ইসলামকে আটক করে তার দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি চালান। এ সময় ভুক্তভোগীর দুটি মোবাইল ফোন ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি তার ব্যাগ থেকে প্রায় ১৫ পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল ইসলাম জানান, তিনি ও তার সহযোগীরা বাস ও রেলস্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে চা, কফি বা কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করতেন। পরে ভুক্তভোগীদের মালামাল হাতিয়ে নিতেন। সন্দেহ এড়াতে তারা কখনও অসুস্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির অভিনয়ও করতেন।
আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে একটি দল মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার হোটেল রয়েলে অভিযান চালায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি এয়ারবাড, ১৫টি হাতঘড়ি, ৪ পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট, ২টি চেতনানাশক পুরিয়া, নগদ ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা, ৫৩ দশমিক ৫০ সৌদি রিয়াল, ১ তুর্কি লিরাসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস) অনিতা রানী সূত্রধর বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় অজ্ঞান পার্টি, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এপিবিএন সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
এমএস/